কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স — লার্নিং সাময়িকী রঙিন সাদা-কালো
এ কে এইচ মডেল হাই স্কুল · বরগুনা সদর
কারেন্ট
অ্যাফেয়ার্স
জানার জন্য · বোঝার জন্য · ভাবার জন্য
২৬ সেপ্টেম্বর – ১১ অক্টোবর ২০২৬
নোবেল ২০২৬ · হাম সংকট · ব্যাংক সংস্কার · আবুধাবি টেস্ট · মধ্যপ্রাচ্যের নতুন যুদ্ধ · দুর্যোগের বিজ্ঞান
রঙিন সংস্করণ · ১৬ পৃষ্ঠা · ছবি-সমৃদ্ধ
সূচি

যা আছে এই সংখ্যায়

গত ১৫ দিনের ঘটনাপ্রবাহ · ব্যাখ্যা · পটভূমি · সংযোগ

এই সংখ্যার বিশেষত্ব

এটি কোনো পরীক্ষার নোট নয়। এখানে প্রতিটি ঘটনার পটভূমি, কারণ, সংযোগ এবং বিশ্বপ্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
সম্পাদকীয়২০২৬

পাঠকের প্রতি

গত ১৫ দিনে দেশ ও বিশ্বে যা ঘটেছে, তার খবর আপনি পত্রিকায় পড়েছেন। কিন্তু খবরের পেছনের গল্পটা কী? কেন বিশ্বব্যাংক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমাল? কেন হাম এত ভয়াবহভাবে ফিরে এল?

বিজ্ঞানচিন্তা-ধাঁচে সাজানো এই সাময়িকীতে প্রতিটি বিষয় সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে—ছবি ও চার্ট দিয়ে। লক্ষ্য একটাই—ঘটনাটি জানা নয়, বোঝা।

৩০ সেপ্টেম্বরহামে মৃত্যু ১,১০০ ছাড়াল
৩ অক্টোবররামপালে রেকর্ড ১,৩২১ MW উৎপাদন
৫ অক্টোবরচিকিৎসায় নোবেল: অপটোজেনেটিক্স
৬ অক্টোবরপদার্থে নোবেল · বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস ৩.৪%
৭ অক্টোবররসায়নে নোবেল · শাপলা চত্বর মামলার শুনানি
৮ অক্টোবরসাহিত্যে নোবেল: অ্যান কার্সন · রিয়াদে হামলা
৯ অক্টোবরশান্তিতে নোবেল: নাভি পিল্লে · আবুধাবি টেস্ট
১০ অক্টোবরহারিকেন আইজায়াস · গাজা যুদ্ধবিরতির এক বছর
১২ অক্টোবরঅর্থনীতিতে নোবেল ঘোষণা (আসছে)
পৃষ্ঠাবিষয়ধরন
৩অর্থনীতি: প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ও ব্যাংক সংস্কারবিশ্লেষণ
৪শিল্প, জ্বালানি ও বাণিজ্যব্যাখ্যা + চার্ট
৫স্বাস্থ্য: হাম সংকটের পূর্ণ চিত্রতথ্যচিত্র
৬কূটনীতি, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিপ্রেক্ষাপট
৭নোবেল ২০২৬: শান্তি ও সাহিত্যপরিচিতি
৮নোবেল ২০২৬: বিজ্ঞানের তিন পুরস্কারবিজ্ঞান ব্যাখ্যা
৯মধ্যপ্রাচ্য: সৌদি-হুতি সংঘাতমানচিত্র + টাইমলাইন
১০দুর্যোগ ও বিশ্বরাজনীতিতথ্য + বিশ্লেষণ
১১গুরুত্বপূর্ণ দিবস ও তারিখতালিকা
১২ভেবে দেখুন: আলোচনার প্রশ্নচিন্তা-উদ্দীপক
১৩-১৬বিস্তারিত পরিশিষ্টগভীর পাঠ
জাতীয়

অর্থনীতি: কমছে প্রবৃদ্ধি, বাড়ছে চাপ

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস · ব্যাংক সংস্কারের হিসাব

৩.৪%বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস
৪.৩%মুডিজের পূর্বাভাস
৬০,০০০ কোটিবার্ষিক ব্যাংক সংস্কার ব্যয়
অর্থনীতি৬ অক্টোবর

বিশ্বব্যাংক: ২০২৬-২৭ সালে প্রবৃদ্ধি হবে ৩.৪ শতাংশ

বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ রিপোর্টে বলা হয়েছে—২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৩.৪ শতাংশ। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে এটি দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। অথচ একই সময়ে মুডিজ রেটিংস পূর্বাভাস দিয়েছে ৪.৩ শতাংশ।

দুই প্রতিষ্ঠানের পূর্বাভাসে প্রায় ০.৯ শতাংশ পয়েন্টের পার্থক্য আছে। এই পার্থক্য অস্বাভাবিক নয়—তারা ভিন্ন শর্ত ধরে হিসাব করে। বিশ্বব্যাংক বেশি রক্ষণশীল; মুডিজ বিনিয়োগ পরিস্থিতি কিছুটা ইতিবাচক ধরেছে।

প্রবৃদ্ধি কমলে কর্মসংস্থান কমে, রাজস্ব কমে, দারিদ্র্য বিমোচনের গতি ধীর হয়ে যায়।

বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি (%)

২০২৪-২৫ (প্রকৃত)
৩.৫
২০২৫-২৬ (প্রাক্কলন)
৪.১
২০২৬-২৭ বিশ্বব্যাংক
৩.৪
২০২৬-২৭ মুডিজ
৪.৩
সূত্র: বিশ্বব্যাংক ও মুডিজ, ২০২৬

জিডিপি প্রবৃদ্ধি কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ

জিডিপিএক বছরে দেশে উৎপাদিত সব পণ্য ও সেবার মোট বাজারমূল্য। সহজ কথায়, দেশের সামগ্রিক আয়।
প্রবৃদ্ধি হারগত বছরের তুলনায় এ বছরের জিডিপি কত শতাংশ বাড়ল। ৩.৪% মানে গত বছরের চেয়ে ৩.৪% বেশি উৎপাদন।
কম প্রবৃদ্ধির প্রভাবকর্মসংস্থান কমে, নতুন বিনিয়োগ কমে, সরকারের কর আদায় কমে, প্রকৃত আয় স্থবির থাকে।
মূল্যস্ফীতির সম্পর্কপ্রবৃদ্ধি কম কিন্তু মূল্যস্ফীতি বেশি হলে মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়।
ব্যাংক১০ অক্টোবর

ব্যাংক খাত সারাতে লাগবে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেছেন—ব্যাংকিং খাতে জমে থাকা খেলাপি ঋণ ও মূলধন ঘাটতি পূরণে আগামী ৫ থেকে ৮ বছর প্রতি বছর ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। অর্থাৎ মোট ৩ লাখ থেকে ৪.৮ লাখ কোটি টাকা।

এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যাংক ব্যবস্থায় ঢালতে হবে—সরকারের রাজস্ব থেকে, অথবা বিদেশি ঋণ নিয়ে। ৬ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষণা দিয়েছে—কোনো একক ঋণগ্রহীতার ঋণের সীমা বেঁধে দেওয়া হবে।

পরিভাষা বুঝে নিন

খেলাপি ঋণ (NPL): যে ঋণ নির্দিষ্ট সময়ে ফেরত আসে না। মূলধন ঘাটতি: ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল কমে যাওয়া। ট্রেজারি বন্ড: সরকারের দীর্ঘমেয়াদি ঋণপত্র।

ভেবে দেখুন

যদি সরকার ব্যাংক খাতে ৬০,০০০ কোটি টাকা ঢালে, সেটি কোথা থেকে আসবে? কর বাড়ালে সাধারণ মানুষের উপর চাপ পড়বে। বিদেশি ঋণ নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শোধ করতে হবে। এই দুটোর মধ্যে সঠিক ভারসাম্য কোথায়?

জাতীয়

শিল্প, জ্বালানি ও বাণিজ্য

হাইব্রিড গাড়ি · রামপালের রেকর্ড · এলডিসি উত্তরণ

১,৩২১রামপালের রেকর্ড (MW)
২০২৭টয়োটার হাইব্রিড উৎপাদন
নভেম্বর ২০২৬এলডিসি উত্তরণ
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র, বাগেরহাট — সুন্দরবনের কাছে
জ্বালানি৩ অক্টোবর

রামপালে একদিনে ১,৩২১ মেগাওয়াট—কেন এটি রেকর্ড

বাগেরহাটের রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র একদিনে ১,৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে। কেন্দ্রটির নকশা-ক্ষমতা ১,৩২০ মেগাওয়াট (২টি ইউনিট × ৬৬০)। অর্থাৎ এটি প্রায় ১০০% ক্ষমতায় চলেছে।

এই কেন্দ্র বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগ। কয়লা আসে ভারতের ওড়িশা ও ইন্দোনেশিয়া থেকে। সুন্দরবনের মাত্র ১৪ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় পরিবেশবাদীরা দীর্ঘদিন ধরে বিরোধিতা করে আসছেন।

শিল্প৬ অক্টোবর

টয়োটা বাংলাদেশে হাইব্রিড গাড়ি বানাবে ২০২৭ সালে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে টয়োটা সুশো করপোরেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ইচিরো কাশিতানির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে—আগামী বছর (২০২৭) বাংলাদেশে হাইব্রিড ইলেকট্রিক গাড়ি উৎপাদন শুরু হবে।

হাইব্রিড গাড়িতে পেট্রল ইঞ্জিন ও বৈদ্যুতিক মোটর একসাথে কাজ করে। ফলে জ্বালানি ৩০-৪০% কম লাগে, দূষণও কম হয়।

এলডিসি উত্তরণ—কী, কেন, কী হবে

এলডিসি কীLeast Developed Country — জাতিসংঘের একটি তালিকা। যেসব দেশের আয় কম, মানুষ দরিদ্র, অর্থনীতি দুর্বল।
কী সুবিধাশুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা, সস্তা ঋণ, কারিগরি সহায়তা।
উত্তরণ মানে৩টি শর্ত পূরণ হলে তালিকা থেকে বাদ পড়া: মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ, অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা।
বাংলাদেশ২০২৬ সালের নভেম্বরে এলডিসি থেকে উত্তরণ করবে। এরপর সুবিধা ধীরে ধীরে কমবে।
চ্যালেঞ্জপোশাক রপ্তানিতে শুল্ক বাড়লে দাম বাড়বে, প্রতিযোগিতা কমবে। নতুন বাজার ও নতুন পণ্য খুঁজতে হবে।

ভেবে দেখুন

বাংলাদেশ যদি একদিকে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ বাড়ায়, আর অন্যদিকে সৌর-বায়ুর কথা বলে—এটি কি সামঞ্জস্যপূর্ণ?

জাতীয়

হাম সংকট: প্রতিরোধযোগ্য রোগ কেন ফিরে এল

তথ্য · বিভাগীয় চিত্র · বিজ্ঞান · করণীয়

১,১৪৪মোট মৃত্যু (৮ অক্টো)
২,০১,৬২৫হাসপাতালে আসা রোগী
৯৫%সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় টিকা
হাম ভাইরাসে আক্রান্ত শিশুর গায়ে লালচে ফুসকুড়ি
স্বাস্থ্য৮ অক্টোবর

প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হচ্ছেন ১,৩০০-এর বেশি শিশু

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী ১৫ মার্চ থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা ১,১৪৪। এর মধ্যে ১০৪ জনের হাম পরীক্ষাগারে নিশ্চিত, বাকিরা সন্দেহভাজন।

হাসপাতালে আসা রোগীর সংখ্যা ২,০১,৬২৫ জন; ভর্তি ১,৭৮,৯২৭; সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১,৭১,৬৮০ জন। শুধু ৮ অক্টোবরের ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি ১,৩৩২ জন।

যেহেতু সব রোগীর নমুনা পরীক্ষা করা হয় না, তাই নিশ্চিত সংখ্যাটি প্রকৃত সংখ্যার চেয়ে কম।

হামে মৃতের সংখ্যা (ক্রমপুঞ্জিত)

১১ মে
৪০৯
২৫ জুন
৬৮৯
১০ জুলাই
৭৫০
২৫ জুলাই
৮১৬
৩০ সেপ্টেম্বর
১,১০৪
৮ অক্টোবর
১,১৪৪
সূত্র: DGHS বুলেটিন, সংবাদপত্র

হাম—প্রতিরোধযোগ্য রোগ কেন ফিরে এল

হাম কীভাইরাসজনিত অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে বাতাসে ছড়ায়।
R০ মান১২-১৮। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি গড়ে ১২-১৮ জনকে সংক্রমিত করে। (কোভিড-১৯ এর R০ ছিল ২-৩)
সুরক্ষার শর্তসম্প্রদায়ে ৯৫% মানুষ টিকা পেলে herd immunity তৈরি হয়।
বাংলাদেশে টিকাএমআর (হাম-রুবেলা) টিকা দেওয়া হয় ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে।
কেন ফিরলকোভিড-১৯ এর সময় টিকাদান কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। অনেক শিশু টিকা পায়নি।

ভেবে দেখুন

হামের নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই—শুধু টিকাই প্রতিরোধ। অথচ টিকা থাকা সত্ত্বেও ১,১৪৪ জন মারা গেলেন। যদি একটি রোগ ১০০% প্রতিরোধযোগ্য হয়, তাহলে একটি মৃত্যুও কেন ঘটে?

জাতীয়

কূটনীতি, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি

ভারত-ভুটান · আবুধাবি টেস্ট · নজরুল বর্ষ

কূটনীতি৭-৯ অক্টোবর

ভারতের দুই আমন্ত্রণ, ভুটানে দক্ষ কর্মী পাঠানোর আগ্রহ

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জয়সওয়াল জানিয়েছেন—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফরের দুটি আমন্ত্রণ পেয়েছেন।

বাংলাদেশ ভুটানের সাথে সম্পর্ক গভীর করতে চায়। বিশেষভাবে—দক্ষ কর্মী পাঠানো, এবং সার্ক পুনরুজ্জীবনে ভুটানের সমর্থন চেয়েছে।

৯ অক্টোবর বাংলাদেশ সৌদি আরবে হুতি হামলার নিন্দা জানায়।

“সার্ক দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয়। এই অঞ্চলের জন্য একটি কার্যকর আঞ্চলিক সংস্থা অত্যন্ত দরকার।”

— পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র
ক্রীড়া৯ অক্টোবর

আবুধাবিতে বাংলাদেশ ৩১৭/৮: প্রথম দিনের গল্প

আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে বাংলাদেশ টস জিতে ব্যাট করে প্রথম দিন শেষে ৮ উইকেটে ৩১৭ রান।

ওপেনার তানজিদ হাসান মাত্র ৭১ বলে ৮৩ রান করেন (৮টি চার, ৪টি ছক্কা)। শাদমান ইসলাম ৬৭। তাদের উদ্বোধনী জুটিতে ১২৪ রান।

লিটন দাস ৫৩; মোমিনুল ৩৯; নাজমুল ২৯; মেহেদী ২৪। আফগান পেসার মোহাম্মদ সালিম ৩/৭০।

বাংলাদেশের ব্যাটিং, প্রথম দিন (রান)

তানজিদ হাসান
৮৩
শাদমান ইসলাম
৬৭
লিটন দাস
৫৩
মোমিনুল হক
৩৯
নাজমুল শান্ত
২৯
মেহেদী মিরাজ
২৪
আবুধাবি টেস্ট, ৯ অক্টোবর ২০২৬
সংস্কৃতি৩ অক্টোবর

নজরুল বর্ষ ২০২৬: বেনুকা ললিতকলা কেন্দ্রের আয়োজন

বেনুকা ললিতকলা কেন্দ্র ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও নজরুল বর্ষ ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর রচনায় সাম্য, দ্রোহ, মানুষের মুক্তির আকুতি ফুটে উঠেছে।

সংস্কৃতি-টুকিটাকি

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি: ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত। নজরুল বর্ষ: জাতীয় কবির জন্ম বা মৃত্যু স্মরণে বিশেষ আয়োজন।
আন্তর্জাতিক

নোবেল ২০২৬: শান্তি ও সাহিত্য

নাভি পিল্লে · অ্যান কার্সন · পূর্ণ তালিকা

নবনীথাম (নাভি) পিল্লে — ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী
শান্তি৯ অক্টোবর

নাভি পিল্লে: যিনি বিচারকে শান্তির পথ বলেছেন

২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিচারক নবনীথাম (নাভি) পিল্লে। বয়স ৮৫। জন্ম ১৯৪০ সালে ডারবানে, তামিল বংশোদ্ভূত পরিবারে।

বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে নেলসন ম্যান্ডেলাসহ বহু নেতার আইনজীবী ছিলেন। পরে দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকোর্টের প্রথম অশ্বেতাঙ্গ নারী বিচারক হন।

পরে দায়িত্ব পালন করেছেন—রুয়ান্ডা গণহত্যা ট্রাইব্যুনালের প্রধান, জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (ICJ) বিচারক।

“শান্তির জন্য ন্যায়বিচার অপরিহার্য। বিচার ছাড়া শান্তি টেকে না।”

— নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি
অ্যান কার্সন — কানাডিয়ান কবি ও সাহিত্যে নোবেলজয়ী
সাহিত্য৮ অক্টোবর

অ্যান কার্সন: প্রাচীন গ্রিককে আধুনিক করে তোলা কবি

সাহিত্যে ২০২৬ সালের নোবেল পেয়েছেন কানাডিয়ান কবি, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক অ্যান কার্সন।

তাঁর বিশেষত্ব—প্রাচীন গ্রিক-ল্যাটিন সাহিত্যকে নতুন আঙ্গিকে হাজির করা।

সুইডিশ অ্যাকাডেমি বলেছে—ধ্রুপদী ঐতিহ্যের সঙ্গে কৌতুকপূর্ণ সংলাপে তিনি সমকালীন সাহিত্যে নতুন রূপ সৃষ্টি করেছেন।

বিষয়বিজয়ীদেশঘোষণা
চিকিৎসাডাইসেরোথ, হেগেমান, নাগেলযুক্তরাষ্ট্র/জার্মানি৫ অক্টোবর
পদার্থফ্রান্সিস হালজেনযুক্তরাষ্ট্র৬ অক্টোবর
রসায়নকাগান ও সোয়াইফ্রান্স/জাপান৭ অক্টোবর
সাহিত্যঅ্যান কার্সনকানাডা৮ অক্টোবর
শান্তিনাভি পিল্লেদক্ষিণ আফ্রিকা৯ অক্টোবর
অর্থনীতিঘোষণা বাকি—১২ অক্টোবর

নোবেল সম্পর্কে জানুন

শুরু: ১৯০১ সালে, আলফ্রেড নোবেলের উইল অনুযায়ী। অর্থনীতি: ১৯৬৮ সালে সুইডিশ ব্যাংক সংযোজন করে। প্রতিষ্ঠান: শান্তি - নরওয়েজিয়ান কমিটি (অসলো); বাকি সব - সুইডিশ অ্যাকাডেমি (স্টকহোম)। বিতরণ: প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর।
আন্তর্জাতিক

নোবেল ২০২৬: বিজ্ঞানের তিন পুরস্কার

অপটোজেনেটিক্স · আইসকিউব · অসমমিতিক সংশ্লেষণ

আইসকিউব — দক্ষিণ মেরুর বরফের নিচে বসানো নিউট্রিনো ডিটেক্টর
চিকিৎসা৫ অক্টোবর

অপটোজেনেটিক্স: আলো দিয়ে মস্তিষ্কের কোষ নিয়ন্ত্রণ

২০২৬ সালের চিকিৎসায় নোবেল পেয়েছেন কার্ল ডাইসেরোথ (যুক্তরাষ্ট্র), পিটার হেগেমান ও গেয়র্গ নাগেল (জার্মানি)—অপটোজেনেটিক্স পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য।

এই পদ্ধতিতে শৈবাল থেকে পাওয়া আলোসংবেদনশীল প্রোটিন স্নায়ুকোষে বসানো হয়। তারপর নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ফেললে সেই কোষ চালু বা বন্ধ হয়ে যায়।

এতে মস্তিষ্কের কোন অংশ কোন কাজ করে, কোন সংযোগ কীভাবে কাজ করে—তা নির্ভুলভাবে বোঝা সম্ভব হয়েছে।

পদার্থ৬ অক্টোবর

আইসকিউব: মহাকাশের ভূতুড়ে কণা নিউট্রিনো শনাক্তকরণ

পদার্থে নোবেল পেয়েছেন ফ্রান্সিস হালজেন—আইসকিউব-এ অবদান এবং মহাজাগতিক উৎস থেকে আসা উচ্চশক্তির নিউট্রিনো শনাক্তের জন্য।

নিউট্রিনো অত্যন্ত হালকা, চার্জহীন কণা যা পদার্থের সাথে প্রায় বিক্রিয়া করে না। প্রতি সেকেন্ডে লাখ লাখ নিউট্রিনো আমাদের শরীরের মধ্য দিয়ে যায়—আমরা টের পাই না।

আইসকিউব বসানো হয়েছে দক্ষিণ মেরুর প্রায় ১ ঘন কিলোমিটার বরফের ভেতরে, ২,৫০০ মিটার গভীরে ৫,১৬০টি অপটিক্যাল সেন্সর দিয়ে।

রসায়ন৭ অক্টোবর

অসমমিতিক সংশ্লেষণ: অণুর আয়না-প্রতিবিম্বের রহস্য

রসায়নে নোবেল পেয়েছেন ফরাসি রসায়নবিদ অঁরি বি. কাগান এবং জাপানি রসায়নবিদ কেনসো সোয়াই—অসমমিতিক জৈব সংশ্লেষণে নন-লিনিয়ার প্রভাব ও স্বয়ংক্রিয় অনুঘটন আবিষ্কারের জন্য।

কিছু অণুর দুটি রূপ থাকে—একটি অন্যটির আয়না-প্রতিবিম্বের মতো। এদেরকে বলে এন্যানশিওমার। যেমন আমাদের বাম হাত আর ডান হাত একই রকম কিন্তু আয়নায় আলাদা।

ওষুধ শিল্পে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—কারণ একটি রূপ রোগ সারায়, অন্যটি বিষাক্ত হতে পারে।

তিনটি পুরস্কারের সারমর্ম

চিকিৎসাআলো দিয়ে স্নায়ুকোষ নিয়ন্ত্রণ। মস্তিষ্ক বোঝার নতুন দরজা।
পদার্থবরফে বসানো টেলিস্কোপ দিয়ে মহাকাশের কণা ধরা।
রসায়নএকই অণুর কেবল একটি রূপ বানানো। নিরাপদ ওষুধ তৈরির চাবিকাঠি।
মিলতিনটিই মূলত অদৃশ্য জিনিসকে দৃশ্যমান করা নিয়ে।

ভেবে দেখুন

নিউট্রিনো প্রতি সেকেন্ডে লক্ষ লক্ষ আপনার শরীরের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। আপনি টের পাচ্ছেন না। বিজ্ঞান কীভাবে এমন অদৃশ্য কণাকে দেখতে পারে?

আন্তর্জাতিক

মধ্যপ্রাচ্য: সৌদি-হুতি সংঘাত

ইরান যুদ্ধের নতুন রণক্ষেত্র · লোহিত সাগর · বৈশ্বিক বাণিজ্য

ইয়েমেন — লোহিত সাগরের দক্ষিণে, বাব এল-মান্দেব প্রণালির কাছে
ফেব্রুয়ারি (শেষ)ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরান যুদ্ধ শুরু
জুলাইহুতি-সৌদি সংঘাত তীব্র আকার নেয়
অক্টোবর (শুরু)ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বড় অভিযান
৭-৮ অক্টোবররিয়াদ ও আবহা বিমানবন্দরে হুতি হামলা
১০ অক্টোবরগাজায় যুদ্ধবিরতির এক বছর পূর্ণ
সংঘাত৮ অক্টোবর

রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা—কী ঘটেছে

সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে—রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং একটি সৌদিয়া বিমানে হামলায় এক পাইলটসহ তিনজন সৌদি নাগরিক নিহত হয়েছেন।

হামলার দায় স্বীকার করেছে ইরানপন্থি হুতি বিদ্রোহীরা। হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা নিয়ন্ত্রণ করে।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের সাম্প্রতিক অভিযানের লক্ষ্য—লোহিত সাগর উপকূল ও বাব এল-মান্দেব প্রণালি অঞ্চল পুনর্দখল করা।

বাব এল-মান্দেব—কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ

অবস্থানইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমে, জিবুতি ও ইরিত্রিয়ার কাছে। লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগরের সাথে যুক্ত করে।
গুরুত্বসুয়েজ খাল হয়ে ইউরোপ-এশিয়ার মধ্যে যাওয়া সমস্ত জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে যায়। প্রতিদিন প্রায় ৫০-৬০টি জাহাজ।
তেল পরিবহনবিশ্বের প্রায় ১২% তেল এবং ৮% গ্যাস এই পথে পরিবাহিত হয়।
বন্ধ হলেজাহাজগুলোকে আফ্রিকা ঘুরে যেতে হবে—দূরত্ব প্রায় ৯,০০০ কিমি বেড়ে যায়। তেলের দাম ও সব পণ্যের দাম বাড়ে।
কূটনীতি১০ অক্টোবর

আঞ্চলিক শক্তিগুলোর অবস্থান

পাকিস্তান জানিয়েছে—সৌদি আরবে থাকা তাদের সেনারা সৌদি আরবকে রক্ষা করবে, কিন্তু ইয়েমেনে ঢুকবে না।

তুরস্ক সেনা পাঠানোর সম্ভাবনা বাতিল করেছে—তাদের বর্তমান অগ্রাধিকার সিরিয়া ও কুর্দি প্রশ্ন।

যুক্তরাষ্ট্র তথ্য ও গোয়েন্দা সহায়তা দিলেও সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে অনিচ্ছুক।

মনে রাখার বিষয়

হুতি কারা: ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চল ভিত্তিক জাইদি শিয়া গোষ্ঠী, ইরান-সমর্থিত। ২০১৪ সাল থেকে রাজধানী সানা নিয়ন্ত্রণ করছে। সৌদি জোট: সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। লোহিত সাগর: বাব এল-মান্দেব ও সুয়েজ খালের মধ্যবর্তী সাগর।

ভেবে দেখুন

একটি প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে গোটা বিশ্বের অর্থনীতি কেঁপে ওঠে। আপনার কল্পনায় একটি মানচিত্র আঁকুন: ইয়েমেন, সৌদি আরব, ইরান, মিশর আর লোহিত সাগরের অবস্থান চিহ্নিত করুন।

আন্তর্জাতিক

দুর্যোগ ও বিশ্বরাজনীতি

হারিকেন · ভূমিকম্প · বিক্ষোভ · বিশ্বসংবাদ

স্যাটেলাইট থেকে দেখা ঘূর্ণিঝড় — আটলান্টিকে হারিকেন, বঙ্গোপসাগরে সাইক্লোন, পশ্চিম প্রশান্তে টাইফুন
দুর্যোগ১০ অক্টোবর

ফ্লোরিডায় হারিকেন আইজায়াস; মেক্সিকোতে সাইমন

আইজায়াস ঘণ্টায় প্রায় ১২০ মাইল বেগের বাতাস নিয়ে ফ্লোরিডায় আঘাত হেনেছে। এই গতি ক্যাটাগরি-৩ এর মধ্যে পড়ে (১১১-১২৯ মাইল)।

একই দিনে মেক্সিকোর উপকূলের কাছে হারিকেন সাইমন ক্যাটাগরি-৪ (১৩০-১৫৬ মাইল)-এ উন্নীত হয়েছে।

হারিকেন কীভাবে তৈরি হয়

উষ্ণ সমুদ্র২৬.৫°C বা তার বেশি তাপমাত্রার সমুদ্রের পানি প্রয়োজন।
বাষ্পীভবনউষ্ণ পানি বাষ্প হয়ে উপরে ওঠে, বাতাসে জলীয় বাষ্প জমা হয়।
ঘূর্ণনপৃথিবীর ঘূর্ণনের (করিওলিস এফেক্ট) কারণে বাতাস বাঁকা পথে ঘুরতে থাকে।
শক্তি বৃদ্ধিযত বাষ্প জমে, তত শক্তি বাড়ে—নিম্নচাপ তৈরি হয়, বাতাস দ্রুত বয়।
নাম ভিন্ন কেনআটলান্টিক ও পূর্ব প্রশান্তে = হারিকেন; বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে = সাইক্লোন; পশ্চিম প্রশান্তে = টাইফুন।

সাফির-সিম্পসন স্কেল (মাইল/ঘণ্টা)

ক্যাটাগরি-১
৯৫
ক্যাটাগরি-২
১১০
ক্যাটাগরি-৩
১২৯
ক্যাটাগরি-৪
১৫৬
ক্যাটাগরি-৫
১৫৭+
ক্যাটাগরি-৫ সর্বোচ্চ স্তর
১পানামা: দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর জরুরি অবস্থা (১০ অক্টোবর)
২ইতালি: সিসিলিতে বিরল জলস্তম্ভে বাড়ি ও স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত
৩হাঙ্গেরি: ১২৬ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ খরা
৪বেলজিয়াম: ব্যয়সংকোচের প্রতিবাদে ব্রাসেলসে হাজারো মানুষের মিছিল
৫ভ্যাটিকান: পোপ লিও মৃত্যুদণ্ডের নিন্দা জানিয়েছেন
৬রাশিয়া: প্লেগ-গবেষণাগার কর্মীর নিউমোনিয়ায় মৃত্যু; কারণ অনিশ্চিত (WHO)

ভেবে দেখুন

ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধনের বিতর্ক আর বাংলাদেশে এনআইডি সংশোধনের বিতর্ক—দুটোই নাগরিক অধিকারের প্রশ্ন।

দিবস

গুরুত্বপূর্ণ দিবস ও আসন্ন তারিখ

সেপ্টেম্বর ২৬ – অক্টোবর ৩১, ২০২৬

জাতিসংঘ সদর দপ্তর, নিউইয়র্ক — ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবস
তারিখদিবসকেন পালিত হয়
২৭ সেপ্টেম্বরবিশ্ব পর্যটন দিবসপর্যটনের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব
২৮ সেপ্টেম্বরতথ্যে সার্বজনীন অভিগম্যতা দিবসসবার জন্য তথ্যপ্রযুক্তি সহজলভ্য
২৯ সেপ্টেম্বরবিশ্ব হৃদ দিবসহৃদরোগ প্রতিরোধে সচেতনতা
১ অক্টোবরআন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসবয়স্ক মানুষের অধিকার ও মর্যাদা
২ অক্টোবরআন্তর্জাতিক অহিংসা দিবসগান্ধীজির জন্মদিন; অহিংসার দর্শন
৪ অক্টোবরবিশ্ব প্রাণী দিবসপ্রাণিকল্যাণ ও পরিবেশ সচেতনতা
৫ অক্টোবরবিশ্ব শিক্ষক দিবসশিক্ষকদের অবদান স্বীকার
৯ অক্টোবরবিশ্ব ডাক দিবসডাক ব্যবস্থার সেবা ও সংযোগ
১০ অক্টোবরবিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসমানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে খোলাখুলি কথা
১১ অক্টোবরআন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসকন্যাশিশুর অধিকার ও সম্ভাবনা

আসছে (১১ অক্টোবরের পর)

১২ অক্টোবর - অর্থনীতিতে নোবেল · ১৩ অক্টোবর - দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস দিবস · ১৫ অক্টোবর - হাত ধোয়া ও গ্রামীণ নারী দিবস · ১৬ অক্টোবর - বিশ্ব খাদ্য দিবস · ১৭ অক্টোবর - দারিদ্র্য বিমোচন দিবস · ২২ অক্টোবর - পূজার ছুটি শুরু · ২৪ অক্টোবর - জাতিসংঘ দিবস · ৩১ অক্টোবর - বিশ্ব সঞ্চয় দিবস

ভেবে দেখুন

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস (১০ অক্টোবর) আর আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস (১১ অক্টোবর) পাশাপাশি পড়ে। আপনার স্কুলে কীভাবে এই দুটি দিবস পালন করা যায়—ভেবে দেখুন।

চর্চা

ভেবে দেখুন: আলোচনার জন্য ১২টি প্রশ্ন

উত্তর নেই—তর্ক আছে · বন্ধুদের সাথে আলোচনা করুন

চর্চা২০২৬

যেভাবে ব্যবহার করবেন

নিচের ১২টি প্রশ্ন কোনো পরীক্ষার প্রশ্ন নয়। এগুলো আলোচনার প্রশ্ন—যেখানে একক সঠিক উত্তর নেই।

প্রতিটি প্রশ্নের পেছনে থাকে একটি বাস্তব ঘটনা, আর থাকে একটি চিন্তার দরজা। বন্ধুদের সাথে বা পরিবারের সদস্যদের সাথে আলোচনা করুন।

উদ্দেশ্য হলো—ঘটনাটি জানার পর সেটি নিয়ে ভাবা, প্রশ্ন করা, এবং নিজের মত গড়ে তোলা।

১বিশ্বব্যাংক বলছে প্রবৃদ্ধি ৩.৪%, মুডিজ বলছে ৪.৩%। আপনি বিনিয়োগকারী হলে কোনটি বেশি গুরুত্ব দিতেন এবং কেন?
২ব্যাংক খাতে ৬০ হাজার কোটি টাকা লাগবে—করদাতার টাকায়, নাকি খেলাপিদের সম্পত্তি বিক্রি করে?
৩টয়োটা হাইব্রিড গাড়ি বানাবে, কিন্তু চার্জিং স্টেশন কম। বৈদ্যুতিক গাড়ির চেয়ে হাইব্রিড কেন উপযুক্ত?
৪রামপাল সুন্দরবনের কাছে। পরিবেশ বনাম উন্নয়ন—দুটো কি সত্যিই পরস্পরবিরোধী?
৫হাম ১০০% প্রতিরোধযোগ্য, তবু ১,১৪৪ জন মারা গেল। আপনি স্বাস্থ্য প্রধান হলে প্রথম ৩টি পদক্ষেপ কী নিতেন?
৬হামের টিকা না দিতে চাইলে কী হবে? ব্যক্তির অধিকার বনাম সমাজের সুরক্ষা—কী করা উচিত?
৭নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন একজন বিচারক। বিচার আর শান্তির সম্পর্ক কী? আপনি একমত?
৮অপটোজেনেটিক্স স্নায়ুকোষ নিয়ন্ত্রণ করে। ভবিষ্যতে আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়—নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য?
৯আইসকিউব বরফের নিচে বসানো টেলিস্কোপ। কেন এমন অদৃশ্য জিনিস খুঁজতে এত টাকা ব্যয় করি?
১০হুতিরা বলছে যুদ্ধ করছে; সৌদি বলছে সন্ত্রাসী। নিরপেক্ষ মানুষ সত্য কীভাবে বের করবে?
১১বাব এল-মান্দেব বন্ধ হলে তেলের দাম বাড়বে। বাংলাদেশ এই ঝুঁকি কমাতে কী করতে পারে?
১২আপনার স্কুলে কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ক্লাব হলে কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন?

আলোচনার কিছু নিয়ম

শুনুন, পাল্টা বলার আগে: অন্যের যুক্তি পুরোপুরি শুনুন। তথ্য দিন, মত নয়: নিজের মতটিকে তথ্য দিয়ে সমর্থন করুন। ভিন্নমতকে ভয় পাবেন না: ভিন্নমত থেকেই নতুন কিছু শেখা যায়।
পরিশিষ্ট

গভীর পাঠ: অর্থনীতি ও ব্যাংক খাত

দীর্ঘমেয়াদি বিশ্লেষণ · পরিভাষা · প্রেক্ষাপট

বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি (২০২১-২০২৭)

২০২১-২২
৭.১
২০২২-২৩
৬.০
২০২৩-২৪
৫.০
২০২৪-২৫
৩.৫
২০২৫-২৬ (প্রা.)
৪.১
২০২৬-২৭ (WB)
৩.৪
২০২৬-২৭ (মুডিজ)
৪.৩
উৎস: বিশ্বব্যাংক, মুডিজ, বাংলাদেশ ব্যাংক
বিশ্লেষণ—

কম প্রবৃদ্ধির ফাঁদ কীভাবে তৈরি হয়

প্রবৃদ্ধি কমলে সরকারের কর আদায় কমে। কর কমলে অবকাঠামো ও সমাজকল্যাণে বিনিয়োগ কমে। বিনিয়োগ কমলে কর্মসংস্থান কমে। কর্মসংস্থান কমলে চাহিদা কমে। চাহিদা কমলে আবার প্রবৃদ্ধি কমে।

এই চক্রকে বলা হয় নিম্ন-প্রবৃদ্ধির ফাঁদ। এই ফাঁদ থেকে বের হতে বিশেষ হস্তক্ষেপ দরকার—যেমন বড় পুঁজি বিনিয়োগ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ, রপ্তানি বাজার বহুমুখীকরণ।

সরকার ব্যয়বহুল ট্রেজারি বন্ড মেয়াদ শেষের আগে কিনে সুদ কমাতে চাইছে—এটি সুচিন্তিত পদক্ষেপ।

বিশ্লেষণ—

ব্যাংক খাতের সমস্যা কোথায় গভীরে

বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে দীর্ঘদিনের সমস্যা: রাজনৈতিক প্রভাবে ঋণ দেওয়া; খেলাপি ঋণ আদায়ে দুর্বলতা; ছোট ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি।

এই সমস্যাগুলো একটি চক্র তৈরি করে—ব্যাংক দুর্বল হলে অনেকে টাকা তুলে নেয়, নতুন আমানত কমে, তারল্য কমে, ঋণ দেওয়ার ক্ষমতা কমে, অর্থনীতিতে টাকার প্রবাহ কমে।

একক ঋণগ্রহীতার ঋণসীমা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত prudential regulation। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই এই সীমা আছে।

মুডিজ, S&P, ফিচ—এই তিন নাম কেন জানা দরকার

তিনটি কীবিশ্বের তিনটি প্রধান ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি। দেশ, ব্যাংক বা কোম্পানির ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা মূল্যায়ন করে গ্রেড দেয়।
গ্রেডযেমন AAA (সর্বোচ্চ), BBB (মাঝারি), CCC (ঝুঁকিপূর্ণ)। গ্রেড ভালো হলে কম সুদে ঋণ পাওয়া যায়।
বাংলাদেশের রেটিংসাম্প্রতিক বছরগুলোতে কিছুটা নিম্নমুখী—যার অর্থ আন্তর্জাতিক ঋণ নিতে বেশি সুদ লাগবে।

ভেবে দেখুন

একটি পরিবারের কল্পনা করুন—কেউ বেশি খরচ করে, আয় কম, আবার আগের ঋণ জমে থাকে—পরিবার কী করবে? রাষ্ট্রও ঠিক তেমন।

পরিশিষ্ট

গভীর পাঠ: স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

হাম · অপটোজেনেটিক্স · হাইব্রিড গাড়ি · সৌর-বায়ু

বিজ্ঞান—

হাম ভাইরাস কতটা সংক্রামক—সংখ্যায় বোঝা

একটি সংখ্যা দিয়ে সহজে বোঝা যায়—R০ (Basic Reproduction Number)। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে গড়ে কতজন সুস্থ মানুষ আক্রান্ত হয়, সেটিই R০।

হামের R০ = ১২-১৮। অর্থাৎ একজন আক্রান্ত ব্যক্তি ১৮ জনকে সংক্রমিত করতে পারে। তুলনা: কোভিড-১৯ এর R০ ছিল ২-৩; ইনফ্লুয়েঞ্জার ১-২; পোলিওর ৫-৭।

এই কারণেই ৯৫% টিকা কভারেজ প্রয়োজন। যদি ৯৫%-এর কম হয়, তাহলে হাম ছড়াতে পারে।

হামের চিকিৎসা নেই—কেন?

ভাইরাসজনিত রোগব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে। কিন্তু ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর নয়।
কেন কার্যকর নয়ভাইরাস আমাদের কোষের ভেতরে ঢুকে নিজের প্রতিলিপি তৈরি করে। ভাইরাস মারতে হলে কোষকেই মেরে ফেলতে হবে—যা রোগীর ক্ষতি করে।
ভ্যাকসিন কেন কাজ করেটিকা আগেই শরীরকে প্রস্তুত করে—শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভাইরাস চেনে এবং সংক্রমণ শুরু হলেই মেরে ফেলে।
হামের চিকিৎসাশুধু লক্ষণভিত্তিক—জ্বর কমানো, পানি দেওয়া, ভিটামিন এ দেওয়া। প্রতিরোধই আসল সুরক্ষা।

হাইব্রিড বনাম পেট্রল বনাম বৈদ্যুতিক

পেট্রল গাড়িশুধু পেট্রল ইঞ্জিন। বেশি জ্বালানি খরচ, বেশি দূষণ।
হাইব্রিড গাড়িপেট্রল ইঞ্জিন + বৈদ্যুতিক মোটর। জ্বালানি ৩০-৪০% সাশ্রয়।
বৈদ্যুতিক গাড়িশুধু ব্যাটারি ও বৈদ্যুতিক মোটর। চার্জিং দরকার। খরচ কম, কিন্তু ব্যাটারি ও চার্জিং স্টেশন সমস্যা।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটচার্জিং স্টেশন কম, তাই হাইব্রিড এখন মাঝামাঝি সমাধান।
ভবিষ্যৎ২০৩০-এর মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও চার্জিং নেটওয়ার্ক গড়ে উঠলে বৈদ্যুতিক গাড়িই মূলধারায় আসবে।
বিজ্ঞান—

নবায়নযোগ্য শক্তির হিসাব

সূর্য থেকে প্রতি ঘণ্টায় পৃথিবীতে যে শক্তি আসে, তা পুরো বিশ্বের এক বছরের চাহিদার চেয়ে বেশি।

সৌর প্যানেল ২০-২৫ বছরের বেশি টেকে। শুরুর খরচ বেশি, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুতের দাম অনেক কম।

উপকূলীয় অঞ্চলে (বরগুনা, ভোলা, কক্সবাজার) বাতাসের গতি বেশি—তাই সেখানে বায়ু বিদ্যুৎ ভালো কাজ করতে পারে।

ভেবে দেখুন

সৌর প্যানেল দিনে কাজ করে, রাতে করে না। তাহলে রাতে বিদ্যুৎ কোথা থেকে আসবে? উত্তরে আসে ব্যাটারি স্টোরেজ বা গ্রিড ব্যালান্সিং এর ধারণা।

পরিশিষ্ট

গভীর পাঠ: বিশ্বরাজনীতি ও ভূরাজনীতি

বাণিজ্যপথ · নোবেল ইতিহাস · মানচিত্র

বিশ্বের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ প্রণালি

মালাক্কামালয়েশিয়া-ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে। চীন-ভারত-জাপানের তেল পরিবহনের মূল পথ।
হরমুজওমান-ইরানের মধ্যে। পারস্য উপসাগরের প্রবেশপথ। বিশ্বের ২০% তেল এখান দিয়ে যায়।
বাব এল-মান্দেবইয়েমেন-জিবুতি/ইরিত্রিয়ার মধ্যে। লোহিত সাগর-এডেন উপসাগর সংযোগ। ১২% তেল।
সুয়েজ খালমিশরে। ভূমধ্যসাগর-লোহিত সাগর সংযোগ। ১৮৬৯ সালে উদ্বোধন।
পানামা খালমধ্য আমেরিকায়। আটলান্টিক-প্রশান্ত মহাসাগর সংযোগ। ১৯১৪ সালে উদ্বোধন।
ভূরাজনীতি—

তেল নয়—পথই আসল শক্তি

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একটি মূল ধারণা হলো Chokepoint—যে প্রণালি বা পথ বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্ব অর্থনীতি কেঁপে ওঠে।

যে দেশ এই পথ নিয়ন্ত্রণ করে, তার হাতে থাকে অসাধারণ ক্ষমতা। এই কারণেই মিশর, ইরান, সৌদি, তুরস্ক—সবাই এই পথগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এত আগ্রহী।

ইয়েমেন যুদ্ধের পেছনে কেবল ধর্মীয় দ্বন্দ্ব নয়—আছে বাব এল-মান্দেব নিয়ন্ত্রণের প্রশ্ন।

“যে সমুদ্রপথ নিয়ন্ত্রণ করে, সে বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে। যে বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে, সে বিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করে।”

— ভূরাজনীতির পুরোনো সূত্র
ইতিহাস—

নোবেল কেন সবচেয়ে সম্মানিত

আলফ্রেড নোবেল ছিলেন সুইডিশ রসায়নবিদ ও ডিনামাইটের আবিষ্কারক। তাঁর ৩৫৫টি পেটেন্ট ছিল।

মৃত্যুর আগে ১৮৯৫ সালে তিনি উইল করে যান—তাঁর সম্পত্তির সুদ থেকে প্রতি বছর এমন ব্যক্তিদের পুরস্কার দেওয়া হবে যাঁরা মানবজাতির কল্যাণে অবদান রেখেছেন। ১৯০১ সালে প্রথম নোবেল দেওয়া হয়।

গুরুত্বপূর্ণ হলো—নোবেল এমন কাজকে স্বীকৃতি দেয় যা আগে কেউ করেনি।

নোবেল নয়—কিন্তু সমান গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার

ফিল্ডস মেডেলগণিতে সর্বোচ্চ পুরস্কার; প্রতি ৪ বছর অন্তর, ৪০ বছরের কম বয়সীদের।
টুরিং পুরস্কারকম্পিউটার বিজ্ঞানে নোবেলের সমতুল্য; ACM দ্বারা প্রদত্ত।
রামোন ম্যাগসেসেএশিয়ার নোবেল; সামাজিক কাজে অসাধারণ অবদানের জন্য।
একুশে পদকবাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান।
স্বাধীনতা পুরস্কারবাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান।

ভেবে দেখুন

নোবেল পুরস্কার একজন ব্যক্তিকে দেওয়া হয়—কিন্তু বিশাল গবেষণা সাধারণত দলগত। এই স্বীকৃতির অসমতা ন্যায্য?

পরিশিষ্ট

কীভাবে কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স পড়বেন

পাঠ পদ্ধতি · তথ্য যাচাই · কৌতূহল ধরে রাখা

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স পড়ার ৭টি ধাপ

১. কী ঘটেছেখবরটি কী—এক বাক্যে বলার চেষ্টা করুন।
২. কে, কোথায়, কখনতথ্যের ৪টি প্রধান স্তম্ভ মনে রাখুন।
৩. কেন ঘটেছেপেছনের কারণ খুঁজুন। শুধু কী নয়, কেন বেশি জরুরি।
৪. কী প্রভাব পড়বেঘটনাটি থেকে কে লাভবান, কে ক্ষতিগ্রস্ত—এই দুই দিক দেখুন।
৫. সংযোগ খুঁজুনএই ঘটনা আর কোন ঘটনার সাথে যুক্ত? আগে কী হয়েছে? পরে কী হতে পারে?
৬. উৎস যাচাইএকটি সূত্রে পাওয়া তথ্য আরেকটি সূত্রে মিলিয়ে দেখুন।
৭. নিজের মত গড়ুনতথ্য পড়ে নিজে বিচার করুন—আপনি কী মনে করেন, এবং কেন?
পদ্ধতি—

কেন কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স পড়া জরুরি

আমরা প্রতিদিন যেসব সিদ্ধান্ত নিই—কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হব, কী পেশা বেছে নেব, কাকে ভোট দেব, কী কিনব—এর সব কিছু বহির্বিশ্বের ঘটনার সাথে সম্পর্কিত।

যে ব্যক্তি বিশ্ব ঘটনা বোঝে, সে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। যে ব্যক্তি শুধু খবর শোনে কিন্তু বোঝে না, সে অন্যের সিদ্ধান্তের দিকে চলে যায়।

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স পড়া মানে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ানো—বোঝাপড়া গভীর করা।

তথ্যের উৎস—যাচাই কীভাবে করবেন

একাধিক সূত্রএকটি খবর কমপক্ষে ৩টি সূত্রে দেখুন—একটি জাতীয় পত্রিকা, একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, আর সরকারি ওয়েবসাইট।
সংখ্যা মিলিয়ে দেখুনসংখ্যাগুলো আলাদা হলে—সরকারি তথ্যকে প্রাধান্য দিন; তবে সব সংখ্যা উল্লেখ করুন।
ছবি যাচাইGoogle Reverse Image Search বা TinEye দিয়ে ছবি যাচাই করুন।
সোশ্যাল মিডিয়াসোশ্যাল মিডিয়ায় যা দেখবেন, তা সরাসরি বিশ্বাস করবেন না—মূল সূত্র খুঁজুন।

“যে তথ্য জানে সে পরীক্ষায় পাস করে। যে তথ্য বোঝে সে জীবনে পাস করে।”

— শিক্ষার একটি পুরোনো সত্য
এই সাময়িকীটি সম্পূর্ণ পড়ার পর যা করতে পারেন

১. আপনার স্কুলে একটি কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ক্লাব গড়ে তুলুন
২. ১০ মিনিট প্রতিদিন একটি খবর বিশ্লেষণ করার অভ্যাস গড়ুন
৩. প্রিয় বন্ধুকে এই সাময়িকী ধরিয়ে দিন
৪. পরের সংখ্যায় আপনি কী নিয়ে পড়তে চান—মতামত জানান

— সমাপ্ত —
পরের সংখ্যা: ১২ – ২৬ অক্টোবর ২০২৬