ডিজিএইচএসের ৮ অক্টোবরের বুলেটিন অনুযায়ী ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যু ১,১৪৪। এর মধ্যে ১০৪ জনের হাম ল্যাবে নিশ্চিত, আর ১,০৪০ জন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। ঘটনাক্রম: ৩০ সেপ্টেম্বর ১,১০৪ → ৩ অক্টোবর ১,১২২ → ৬ অক্টোবর ১,১৩৪ → ৮ অক্টোবর ১,১৪৪।
উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা রোগী মোট ২,০১,৬২৫ জন; ভর্তি ১,৭৮,৯২৭ এবং সুস্থ হয়ে ছাড়া পেয়েছেন ১,৭১,৬৮০ জন। সংক্রমণ এখনো থামেনি: ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি ১,৩৩২ জন (৮ অক্টোবর)। ডিজিএইচএস বলছে, সব রোগীর পরীক্ষা হয় না, তাই নিশ্চিত সংখ্যা প্রকৃত সংখ্যার চেয়ে কম।
বিভাগভিত্তিক উপসর্গজনিত মৃত্যু: ঢাকা ৪৭১, সিলেট ১৮২, রাজশাহী ৯৩, চট্টগ্রাম ৯১, ময়মনসিংহ ৮০, বরিশাল ৬১, খুলনা ৪৬, রংপুর ১৬। অর্থাৎ ঢাকা বিভাগেই মোট উপসর্গজনিত মৃত্যুর প্রায় ৪৫ শতাংশ।
হাম অত্যন্ত সংক্রামক। সম্প্রদায়ে সুরক্ষা পেতে সাধারণত ৯৫ শতাংশ শিশুর টিকা দরকার; বাংলাদেশে এমআর টিকা ৯ ও ১৫ মাস বয়সে দেওয়া হয়। টিকার ফাঁকই প্রাদুর্ভাবের মূল কারণ ধরা হয়। (৯৫% ও টিকাসূচি সাধারণ জ্ঞান; স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সূচির সঙ্গে মিলিয়ে নিন।)